শ্রী রতিকান্ত তঞ্চঙ্গ্যা: পার্বত্য অঞ্চলে কিংবদন্তি তুল্য চিত্রশিল্পী

লেখক জগদীশতঞ্চঙ্গ্যা

পার্বত্য চট্টগ্রামের চারুশিল্প জগতে এক অতি সুপরিচিত নাম শ্রী রতিকান্ত তঞ্চঙ্গ্যা।বহু পুস্তক রচয়িতা, কীর্তিমান চিত্রশিল্পী, স্বীকৃতিপ্রাপ্ত গীতিকার, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্য, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মজীবী এবং রাঙ্গামাটি চারুকলা একাডেমির অধ্যক্ষ, প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক শ্রী রতিকান্ত তঞ্চঙ্গ্যার জন্ম শুক্রবার ২৩ জৈষ্ঠ্য ১৩৪৭ বঙ্গাব্দ, ৬ জুন ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দে বিলাইছড়ি উপজেলায় ১২২ নং কুতুবদিয়া মৌজার বড়রোয়া/ বরপাড়া গ্রামে। পাঁচ বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ, পিতা: শিকল চান তঞ্চঙ্গ্যা ( মহাজন) ও মাতা: তন্যাপুরী তঞ্চঙ্গ্যা।

তঞ্চঙ্গ্যা জাতির শ্রেষ্ঠ বিত্তশালী কুঞ্জ মহাজনের নাতি। পড়ালেখার প্রথম হাতেখড়ি শুরু হয় নিজের জৈষ্ঠ্য সহোদরা ভবানী তঞ্চঙ্গ্যার হাত ধরে। শৈশবে অধ্যয়ন করেছেন গ্রামের সরকারি ইউপি স্কুলে ভারতীয় পাঠ্যপুস্তকে এবং এম.ই স্কুলে ।

১৯৬০ সালে কাপ্তাই বাঁধের কারণে সর্বস্বান্ত হারিয়ে পুর্নবাসিত হতে হয় বান্দরবান সদর মহকুমাধীন ৩৩৭ নং বালাঘাটা মৌজায়। এরপর ১৯৬১ সালে চিত্রকলা বিষয়ে জ্ঞান আহরণের জন্য “চট্টগ্রাম আর্ট হাউস” নামে প্রতিষ্ঠানে কিছুদিন চিত্রকলা ও ভাস্কর শিক্ষা গ্রহণ করেন।

সাংসারিক জীবনে তিনি স্ত্রী হেনা প্রভা তঞ্চঙ্গ্যা এবং তিন পুত্রের জনক। তাঁর পুত্রদ্বয়- দিব্যেন্দু তঞ্চঙ্গ্যা, অনুপম তঞ্চঙ্গ্যা এবং দীপংকর তঞ্চঙ্গ্যা।

রতিকান্ত তঞ্চঙ্গ্যা যিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে সর্ব প্রথম চারুশিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৭৯ সালে সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগ এবং একক প্রচেষ্টায় গড়ে তুলেছেন ” রাঙ্গামাটি চারুকলা একাডেমি” নামে শিশু কিশোরদের চারু ও কারুশিল্পের তত্ত্বজ্ঞান বিষয়ক এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই চারুকলা প্রতিষ্ঠানটির পূর্বে তিনি কাঁঠালতলী মৈত্রী বিহারের বিহার অধ্যক্ষ শ্রীমৎ বিমল বংশ মহাস্থবিরের সম্মতিক্রমে বারান্দায় মাদুর বিছিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস নিতেন। এরপর দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকার সময়ে কাঁঠালতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বারান্দায়, কখনো রাস্তার ধারে গাছের ছায়ায় বসে চিত্রাঙ্কন পাঠদান করাতেন। পরবর্তীতে ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দে নিজের নামে জমি বন্দোবস্ত হলে আধা পাকা ভবন নির্মাণের মধ্য দিয়ে সেখানে স্থায়ী পাঠদান শুরু করেন। তবে সেই সময় অনেকে ছবি আঁকা অপসংস্কৃতি মনে করে জীবন্ত কবর দেওয়ার হুমকিসহ নানা ভাবে বাঁধা প্রদান করা হয়। পরে তৎকালীন রাঙ্গামাটি জেলা জেলা প্রশাসক জনাব শফিকুল ইসলাম মহোদয়ের একান্ত সহযোগিতায় উক্ত দুষ্কৃতকারীরা চুপ থাকতে বাধ্য হয়। তা সত্ত্বেও কখনো রাতের অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়া, ঢিল ছুড়ে জানালার কাচ ভেঙে ফেলাসহ নানা হীন তৎপরতা চলতে থাকে।   এমন কঠিন পরিস্থিতিতেও তিনি সেবার মানসে শত বাধা বিপত্তির মাঝেও কাজ করে গেছেন।

এরপর তিনি পার্বত্য অঞ্চলে চারুশিল্প প্রচার ও প্রসারের প্রয়াসে নিজের ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ ও আয়োজন করতে থাকেন বান্দরবান, খাগড়াছড়ি জেলায়ও। তাঁর মধ্যে ১৮ আগস্ট ১৯৮৪ সালে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে নিজের প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে  ‘শিশু কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ’ নামক একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন যেটি ছিল বান্দরবানে সর্বপ্রথম। পরবর্তীতে ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৮ সালে খাগড়াছড়ি জেলার ব্রিগেডিয়ার মো: ইব্রাহিম, জেলা প্রশাসক খোরশেদ আনসার খানসহ বিভিন্ন বুদ্ধিজীবি ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নিয়ে গঠিত কমিটির আমন্ত্রণে প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে  চিত্র প্রদর্শনী অংশগ্রহন করেন। এটিও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় সর্বপ্রথম এবং চিত্র কলায় নতুন জাগরণের হাতছানি।

তিন পার্বত্য জেলায় তিনিই ছিলেন সর্বপ্রথম চিত্রাঙ্কন প্রশিক্ষক। এছাড়াও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, রাঙ্গামাটি, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রাঙ্গামাটি এবং স্বনামধন্য রাঙ্গামাটি মোনঘর আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয়েও ছিলেন সর্বপ্রথম চিত্রাঙ্কন প্রশিক্ষক। বিভিন্ন সময়ে তিনি চিত্রশিল্পী এবং প্রশিক্ষক হিসেবে জাতীয় শিশু পুরষ্কার প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রাম বিভাগে ৯ (নয়) বার এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রতিনিধি হিসেবে ৪ (চার) বার দায়িত্ব পালন করেছেন।

নিজের প্রতিষ্ঠানে ছবি আঁকা, নাচ, গান, বাদ্যযন্ত্র প্রশিক্ষণ চালুর মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে অবর্ণনীয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। নিজের গড়া প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করে শুধুমাত্র ১৯৮২ থেকে ২০১০ খ্রি: পর্যন্ত সময়ে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান অধিকার অর্জনের পর জাতীয় পর্যায়ে ১৮টি ১ম, ১৭টি ২য়, ৩০টি ৩য় পুরস্কারসহ মোট ৬৫ টি পুরষ্কার লাভ করে তিন পার্বত্য জেলায় সুনাম অর্জন করেছে। এর মধ্যে ২টি স্বর্ণপদক ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ২৪টি দেশের মধ্যে ২টি পুরষ্কার অর্জন করে বহিবিশ্বে চারুকলা একাডেমির সুনাম অর্জন করেছে এবং ৪৬ বছর ধরে সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে নিজের প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা জাপান, কোরিয়া, আমেরিকা, মিশর, বুলগেরিয়া, হাঙ্গেরি ও ভারতে চিত্র প্রেরণের মাধ্যমে নিজের এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম অর্জন করেছে।

বিভিন্ন পত্র পত্রিকার মাধ্যমে তাঁর সুনাম দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়লে ১০ এপ্রিল ১৯৯১ সালে এই প্রতিষ্ঠানকে প্রত্যক্ষভাবে দেখতে এসেছিলেন ১১ সদস্য বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক ও দেশবরেণ্য শিল্পী, সাহিত্যিক, কবি এস এম সুলতান, রফিকুন নবী (রনবী), নিলুফার জামান, হামিদুজ্জামান, আব্দুর রাজ্জাক, এনামুল হক এনাম, মুর্তজা বশীর, কাইয়ুম চৌধুরী, হাসেম খান খানসহ অনেকে। এছাড়াও ২০ জুন ২০০৫ সালে ভারতীয় হাই কমিশনার বীনা সিক্রী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ. রহিম, কবি শামসুর রহমানসহ পার্বত্য জেলা তথা দেশের বিভিন্ন গুণী ব্যক্তিগণ তাঁর এবং প্রতিষ্ঠানের পরিদর্শন করে অভিভূত হয়ে অত্যন্ত প্রশংসা করেছিলেন।

আরো উল্লেখ্য যে, ২৭শে মার্চ ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, সেনাবাহিনী প্রধান, চট্টগ্রাম এরিয়া কমান্ডার ও বিভাগীয় কমিশনারগণ স্ব-পরিবারে রাঙ্গামাটি আগমন করলে সেখানে তিনি প্রধান উপদেষ্টার স্ত্রীর সাথে মতবিনিময়কালে পার্বত্য জেলায় মোবাইল ফোন চালু করার অনুরোধ জানান। প্রধান উপদেষ্টার স্ত্রী এক মাসের মধ্যে ব্যবস্থা করবেন এমন প্রতিশ্রুতি দেন এবং বিশ দিনের মধ্যে পার্বত্য জেলায় মোবাইল ফোন চালু হয়।

তিনি ২০১৬ইং ৩০ জুন থেকে ২০২০ পর্যন্ত জেলা দুর্নীতি দমন কমিটি, রাঙ্গামাটি জেলা শাখায় সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ইতিমধ্যে তিনি আরও পার্বত্য অঞ্চলের অধিবাসীদের কৃষ্টি এবং সংস্কৃতি রক্ষায় বিভিন্ন পৌরাণিক ও ঐতিহ্যবাহী বাহারি জিনিসের সমন্বয়ে ২০২১ সালে গড়ে তুলেছেন “চারুকলা একাডেমি মিনি জাদুঘর”। নিজের অবদানের জন্য রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা না পেলেও চারুশিল্পের ব্যাপক সম্প্রসারণ ও অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ১৯৮১ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক “কৃতি যুব সংবর্ধনা”, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি পুরষ্কার ও সম্মাননা, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, ২০০১ খ্রি: কর্তৃক স্বীকৃতি স্বারক (পার্বত্য চট্টগ্রামে সর্ব প্রথম চারুশিল্প প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠাতা, ব্যাপক সম্প্রসারণ ও অগ্রগণ্য অবদানের জন্য), ২০১৫ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক আজীবন সম্মাননা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কর্তৃক সম্মাননা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ কর্তৃক আজীবন সম্মাননা, তিন পার্বত্য জেলা প্রশাসক কর্তৃক সম্মাননা, ১৯৭৯ সালে চাকমা সার্কেল চীফ কর্তৃক সম্মাননা, ২০১৭ সালে বাংলাদেশ বেতার, রাঙ্গামাটি কর্তৃক তঞ্চঙ্গ্যা, চাকমা ও বাংলা গানের গীতিকার স্বীকৃতিসহ  অসংখ্য পুরষ্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন।

তিনি ত্রিপিটকের সূত্র, বিনয় ও অভিধর্ম পরীক্ষায়ও উপাধি লাভ করেন। ১৯৭৮ সালে শ্রীমৎ সাধনানন্দ মহাস্থবির (বনভান্তে) শ্রী রতিকান্ত তঞ্চঙ্গ্যাকে “বিশ্বকর্মা” হিসেবে উপাধি দেন।

এ চিত্রশিল্পী যেমন আঁকিয়েছেন তেমনি লিখেছেন। মোট ৭টি গ্রন্থসহ লিখেছেন অসংখ্য প্রবন্ধ, ছড়া, গান ও ছোট গল্প। তাঁর রচিত প্রত্যেকটা গ্রন্থ আলোচনার দাবিদার এবং তথ্যমূলক। এই গ্রন্থের তথ্যের আলোকে অনেকে পিএইচডি গবেষণার সহায়ক গ্রন্থ হিসেবে কাজ করেছেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে-

১. চিত্রা (চারুকলা বিষয়ক পুস্তক)/১৯৮৬।

২. তঞ্চঙ্গ্যা পরিচিতি (মূল পান্ডুলিপি)/ ১৯৯৫।

৩. তঞ্চঙ্গ্যা জাতি/২০০০ সাল।

৪. গীত পোই (তঞ্চঙ্গ্যা, চাকমা ও বাংলা গানের বই)/২০০৪ সাল।

৫. চারুকলা অনুশীলন/ ২০১১।

৬. আত্ম চরিতাবলী (জীবনী)/২০১২।

৭. আলোকিত তঞ্চঙ্গ্যা ভিক্ষু/২০১৮।

কর্ম জীবনেও তিনি কৃষি বিভাগে আমিন পদে চাকরি করে ২০০১ সালে আঞ্চলিক পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে সুনামের সাথে অবসর গ্রহণ করেন।

তিনি ১৪ জুলাই ২০০৭ সালের এক এগারোর সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তি হিসেবে রাঙামাটি জেলা পরিষদের ক্রমিক নং- ১, সদস্য পদে যোগদান করেন এবং ২২ (বাইশ) মাস পর্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন সুনাম অর্জন করেছেন। যোগদানের পর থেকে তিনি দুর্গম অঞ্চলের মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন, বিত্তহীন ও মেধাবী ছেলে-মেয়েদের আর্থিক সহযোগিতা, চিকিৎসা সেবাসহ নানামুখী কাজের কারণে অত্যন্ত প্রশংসিত হন। এছাড়াও তিনি সংগীত বিকাশের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পীদের বাদ্যযন্ত্র প্রদানসহ নানা ভাবে সহযোগিতা করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। নিজের প্রচেষ্টায় জেলা পরিষদের অর্থ ব্যয়ে ১টি পালি কলেজ নির্মাণ, ৩টি প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয় সম্প্রসারণ বা সংস্কার, ২টি নতুন বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ ও আসবাবপত্র অনুদান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সংস্কার, ১টি অনাথ শিশু সদন নতুন নির্মাণ ও সংস্কার, কমিউনিটি সেন্টার, কুটির শিল্প নির্মাণসহ বহু জনহিতকর কাজে অবদান রেখেছেন।

নিজের কর্ম জীবনে প্রতিটি ক্ষেত্রে অতুলনীয় অবদান রেখে চলেছেন। বিশেষ করে তিন পার্বত্য জেলায় নিজ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৪৬ বছর ধরে কঠিন আত্মত্যাগ, পিছুটান ও অসহনীয় অভাবের মধ্যে থেকেও সুদৃঢ়ভাবে পরিচালনা করে আসছেন। শত সহস্র শিশুদের চারুশিল্পের কর্মবৃত্তি, বোধশক্তি ও ক্রিয়া সঞ্চালন করেছেন। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানের অসংখ্য ছাত্র/ছাত্রী প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতাসহ দেশ বিদেশে সুনাম অর্জন করছেন।

বহুবিধ কর্মে দক্ষ, বৈচিত্র্যময় জীবনের অধিকারী  এই কর্মবীরের অসামান্য অবদান সর্বজন বিদিত  এবং অতুলনীয়।

তথ্য সহায়ক গ্রন্থ:

১. তঞ্চঙ্গ্যা জাতি/২০০০ সাল- শ্রী রতিকান্ত তঞ্চঙ্গ্যা।

২. আত্ম চরিতাবলী (জীবনী)/২০১২- শ্রী রতিকান্ত তঞ্চঙ্গ্যা।

Toingang
Toingang
Articles: 68

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *